Saturday , 4 December 2021
Home / খবর / শাকিব খানের সংবাদ শেয়ার করে সদস্যপদ হারালেন নির্মাতা?

শাকিব খানের সংবাদ শেয়ার করে সদস্যপদ হারালেন নির্মাতা?


ঢাকা, ০৫ নভেম্বর – পরিচালক সমিতির সদস্যপদ হারিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নোমান রবিন। পাশাপাশি বাতিল হয়েছে তার আন্তর্জাতিক ও তথ্য সচিবের পদ। সদস্যপদ ফিরে পেতে সমিতির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই নির্মাতা।

নোমান রবিন সংগঠনের সংবিধানের ধারা লঙ্ঘন করায় তার সদস্যপদ এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী সদস্যপদ স্থগিত হওয়ায় তার আন্তর্জাতিক ও তথ্য সচিবের পদটিও বাতিল হয়ে গেছে বলে পরিচালক সমিতি থেকে জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে পরিচালক সমিতির উপমহাসচিব অপূর্ব রানা বলেন, ‘নোমান রবিন সমিতির ইস্যুতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে সমিতির সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।এ ছাড়াও তিনি অনলাইনে একটি শো করেন।সেখানেও সমিতি নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা করেছেন।কারণ জানতে চেয়ে এক মাস আগে রবিনকে নোটিশ দেওয়া হয়। তার উত্তরও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু উত্তর যুক্তিযুক্ত মনে না হওয়ায় গত ৩০ অক্টোবর কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে তার সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’

এ প্রসঙ্গে নোমান রবিন বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমাকে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়।আমি উত্তর দিয়েছি।কিন্তু দ্বিতীয় চিঠির জবাবে তারা আমাকে বহিষ্কার করেছে।এর কারণ হিসেবে জানা গেছে- ফেসবুকে আমার কিছু ভাবনা তুলে ধরেছি এবং শাকিব খানের একটি সংবাদ শেয়ার করে মন্তব্য করেছি। এ দুটি কারণে আমার সদস্যপদ হারাতে হয়েছে। আমরা যারা তরুণ নির্মাতা আছি, তারা সিনেমা নির্মাণ করে দর্শককে প্রেক্ষাগৃহমুখী করার চেষ্টা করছি। সমিতিকে নিয়মিত চাঁদা দিচ্ছি।তারপরও আমাদের কাজে অসুবিধা হয়।সমিতি থেকে কোনো সহযোগিতা পাই না। বরং তারা কাজে বাধা প্রয়োগ করে। এমন লোক দিয়ে তো সমিতি চলতে পারে না।’

সদস্যপদ ফিরে পেতে সর্বশেষ পদক্ষেপের কথা জানিয়ে রোমান রবিন বলেন, ‘আমি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।এরই মধ্যে আইনজীবির সঙ্গে কথা বলেছি।যেহেতু গত আট বছর ধরে আমি সমিতিতে চাঁদা দিচ্ছি, তাই আইন অনুযায়ী তারা আমার সদস্যপদ স্থাগিত করতে পারে কিনা সেটি আদালতের মাধ্যমে জানতে চাই।কার্যনির্বাহী সদস্যপদ থেকে প্রত্যার করেছেন, তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। বিভিন্ন সময় আমি নতুন পরিচালকদের সমিতির সদস্য হতে আগ্রহী করেছি।তার ফল এই?’

পরিচালক সমিতি নিয়ে এই নির্মাতা আরো বলেন, ‘যে বিল্ডিংয়ে সমিতি রয়েছে, সেটি লাইব্রেরির অনুমতি থাকলেও সমিতি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।এখানে কোনো লাইব্রেরি নেই।একটা রুমে অল্প কিছু বই আছে।কিন্তু সেখানে সাধারণ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারে না।সেটি তালাবদ্ধ রাখা হয়। শুধু কার্যনির্বাহী সদস্যরা প্রবেশ করতে পারেন।সমিতির পদ ব্যবহার করে অনেকেই ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন।’

এন এইচ, ০৫ নভেম্বর





web hit counter