Saturday , 4 December 2021
Home / খবর / ‘লাঠিই শেষ কথা’, কৃষি আইন প্রত্যাহারে বিরক্ত কঙ্গনা

‘লাঠিই শেষ কথা’, কৃষি আইন প্রত্যাহারে বিরক্ত কঙ্গনা


মুম্বাই, ১৯ নভেম্বর – ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার সকালে বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছেন। মূলত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা কৃষক আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করতে হয়েছে তাকে।

এদিন দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে মোদি বলেন, ‘হয়তো আমাদের চেষ্টাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে।’

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বর চড়ালেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। তিনি কৃষকদের বিপক্ষে কথা বললেন।

কঙ্গনা লেখেন, ‘দুঃখিত, লজ্জিত, এটা একেবারে বেঠিক। যদি মানুষজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আইন বানাতে শুরু করে, পার্লামেন্টে নির্বাচিত সরকারের বদলে তাহলে এটাও জিহাদিদের রাষ্ট্র। সবাইকে শুভেচ্ছা যারা এমনটাই চেয়েছিলেন।’

আরেকটি পোস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ছবি শেয়ার করে ‘মনিকর্ণিকা’ অভিনেত্রী লেখেন, ‘যখন রাষ্ট্রের বিবেক গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, তখন লাঠিই ছিল শেষ কথা আর একনায়কতন্ত্রই একমাত্র সমাধান… শুভ জন্মবার্ষিকী ম্যাডাম প্রাইম মিনিস্টার।’

শুক্রবার প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী।

শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার দিন মোদির কৃষি আইন প্রত্যাহারের এই ঘোষণাকে কৃষকদের বিরাট জয় বলেই দেখছে পুরো ভারত। তবে মোদির এই ঘোষণার পরই কৃষক নেতা রাকেশ তিকাইত জানিয়ে দেন, যতদিন না সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহার করার বিষয়টি নিশ্চিত হচ্ছে, ততদিন আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনটি কৃষি বিলে সংশোধন করে আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে তুমুল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষত, পাঞ্জাবে সেই বিক্ষোভের আগুন তীব্র হতে থাকে। সড়ক-রেল অবরোধ ও আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় কৃষক সংগঠনগুলো।

তাদের অভিযোগ, নতুন আইনের ফলে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকেরা। ফসল নিয়ে তাদের দরাদরির ক্ষমতা কমে যাবে, প্রচলিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন তারা। পাশাপাশি বেসরকারি ও বড় সংস্থাগুলোর কাছে কৃষিপণ্য মজুত রাখার রাস্তাও খুলে যাবে।

এন এইচ, ১৯ নভেম্বর





web hit counter