Thursday , 5 August 2021
Home / খবর / আর্জেন্টিনা আমার ছেলেবেলার প্রেম : সুমী

আর্জেন্টিনা আমার ছেলেবেলার প্রেম : সুমী


ঢাকা, ০৯ জুলাই – ‘আর্জেন্টিনা আমার ছেলেবেলার প্রেম বা জীবনের প্রথম প্রেমের মতো। এখন আর্জেন্টিনা দল মাঠে যদি খারাপও খেলে তবু ভুলতে পারি না।’— রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে এভাবেই ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন চিরকুট ব্যান্ডের ভোকালিস্ট শারমীন সুলতানা সুমী।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানেই মহারণ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এবার মুখোমুখি। তার ওপর এই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে কার হাতে উঠবে শিরোপা। যে কারণে দুই দলের ভক্তদের মধ্যেও কাজ করছে বাড়তি উত্তেজনা। বলা যায়, এখন দুই ভাগে বিভক্ত দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। সংগীতশিল্পী সুমীও এর ব্যতিক্রম নন। কিন্তু ব্রাজিলের খেলাও পছন্দ করেন তিনি।

সুমী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার কম্পিটিশন। আর্জেন্টিনা দলের প্রতি অন্যরকম একটি ভালোবাসা কাজ করলেও ব্রাজিলের খেলা পছন্দ করি। ফাইনাল ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে আমার বিশ্বাস, আর্জেন্টিনা জিতবে।’

লিওনেল মেসিকে খুব পছন্দ করেন সুমী। তার মতো সফল খেলোয়াড়ের হাতে একটি কাপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘লিওনেল মেসি ক্যারিয়ারে এতটা সফল কিন্তু কাপ নেই। এখন তার একটা কাপ দরকার। মনে হয় আমার সঙ্গে বিশ্ববাসীও একমত যে, এমন একজন গ্রেট খেলোয়াড়ের একটা কাপ দরকার। দলমত নির্বিশেষে মেসিকে সবাই পছন্দ করেন।’

খেলাধুলার প্রতি সুমীর আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই। সুমীর বাবাও ফুটবলপ্রেমী। এই শিল্পী বলেন, ‘একটা খেলা হতো স্টেডিয়ামে, অন্যটি হতো আমাদের বাসায়। বিশেষ করে বিশ্বকাপ খেলার সময়ে। খেলাধুলা নিয়ে আব্বা অসম্ভব উৎসাহী ছিলেন। ফুটবলারদের নাম, কোন ক্লাবে কে খেলছেন, আমাদের জাতীয় ফুটবল দলের কে কোথায় কী করছেন— আমাদের এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো। আব্বা সোফায় বসতেন, আমরা তার সামনে গোল হয়ে বসতাম। আর আব্বা একটা একটা করে প্রশ্ন করতেন। এসব নিয়ে আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হতো।’

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে অনেক স্মৃতি জমে আছে সুমীর মনে। স্মরণীয় একটি ঘটনা বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় বিশ্বকাপের খেলা ভোরবেলায় হতো। আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি। সময়টা সম্ভবত ১৯৯০ সাল। যাই হোক, খেলা থাকার কারণে ভোরবেলায় নাস্তা বানানো হতো। আমার ভাই-বোনদের বন্ধু-বান্ধবরা আমাদের বাসায় খেলা দেখার জন্য আসতো। কারণ আব্বা অনেক মজা করে খেলা দেখতেন। যে কারণে সবাই বাসায় চলে আসতেন। একদিন চিন্তা করলাম, সবার আগে উঠে আমি নাস্তা বানাব। চা বানিয়ে বড় একটি কাচের জগে ঢালার পর জগটা ফটাস করে ফেটে যায়। সব চা রান্না ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। শব্দ শুনে সবাই দৌড়ে এসে দেখে এই অবস্থা। এই স্মৃতি আমার কাছে খুব স্মরণীয়।

এন এইচ, ০৯ জুলাই

2021-07-09